ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের চারমুখী লড়াইঃ
মুহাম্মদ হাবিলুর রহমান জুয়েলঃ ১৮ই মার্চ ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ করে ফেঞ্চুগঞ্জে নির্বাচনী হাওয়া বইছে।
চলছে সকল চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের ভোটারদের দোয়ারে দোয়ারে দৌড়ঝাপ।
এদিকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের চতুর্মুখী লড়াই হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা।
এ তালিকায় রয়েছেন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একমাত্র দলীয় প্রতীকে অংশ নেওয়া আওয়ামিলীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকে শাহ মুজিবুর রহমান জকন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন মাওলানা হারুনুর রশীদ (মোটরসাইকেল) সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম (কাপ পিরিছ) ওহিদুজ্জামান ছুফি চৌধুরী (দোয়াত কলম) এছাড়াও পিছিয়ে নেই ঘোড়া প্রতীকে হারুন আহমদ, ব্যটারী প্রতীকে মনিরুল ইসলাম নান্নু, আনারস প্রতীকে মাহতাব উদ্দিন।
মাঠের লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছেন আল ইসলাহ মনোনীত প্রার্থী মাওলানা হারুনুর রশীদ (মোটরসাইকেল) সদ্য বিএনপি থেকে বহিষ্কার হওয়া ওহিদুজ্জামান ছুফি চৌধুরী (দোয়াত কলম) শাহ মুজিবুর রহমান জকন (নৌকা) আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোঃ নুরুল ইসলাম (কাপ পিরিছ)।
তাদের মধ্যে প্রতিদিন সুর উঠেছে প্রতীক ও প্রার্থীর নামে। দিনরাত প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন প্রার্থীরা।
নারী ভোটার অনিশ্চিতঃ বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র হামলা হওয়ার কারনে এবার স্থানীয় নির্বাচন হলেও ১০ শতাংশ নারী ভোটারদের উপস্তিতির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রার্থীদের কর্মীদের কাছ থেকে জানা যাচ্ছে, তারা নির্বাচনী প্রচারণা করার সময় মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে অনুপস্থিতির কথা শুনতে পারছেন। এমনকি মহিলারা সরাসরিই জানাচ্ছেন ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। তবুও ভয় ভীতি দূর করে ভোটকেন্দ্রে যাবার আহবান জানাচ্ছেন প্রার্থীর কর্মীরা।
পর্যবেক্ষনঃ বর্তমানে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে জানা গেল উপরোক্ত চারজন প্রার্থীই সমানে সমান লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছেন। এখন অপেক্ষা চুড়ান্ত রায় ১৮ মার্চের নির্বাচনী হিসাব নিকাশে।
আশংকাঃ কিছু প্রার্থী আশংকা প্রকাশ করছেন নির্বাচনী মাঠে টাকা ছড়াছড়ি হবে৷ এজন্য প্রশাসনের দৃষ্টি প্রার্থী সহ প্রার্থীর কর্মীদের উপর নজরদারির কথা বলেন।
মুহাম্মদ হাবিলুর রহমান জুয়েলঃ ১৮ই মার্চ ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ করে ফেঞ্চুগঞ্জে নির্বাচনী হাওয়া বইছে।
চলছে সকল চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের ভোটারদের দোয়ারে দোয়ারে দৌড়ঝাপ।
এদিকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের চতুর্মুখী লড়াই হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা।
এ তালিকায় রয়েছেন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একমাত্র দলীয় প্রতীকে অংশ নেওয়া আওয়ামিলীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকে শাহ মুজিবুর রহমান জকন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন মাওলানা হারুনুর রশীদ (মোটরসাইকেল) সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম (কাপ পিরিছ) ওহিদুজ্জামান ছুফি চৌধুরী (দোয়াত কলম) এছাড়াও পিছিয়ে নেই ঘোড়া প্রতীকে হারুন আহমদ, ব্যটারী প্রতীকে মনিরুল ইসলাম নান্নু, আনারস প্রতীকে মাহতাব উদ্দিন।
মাঠের লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছেন আল ইসলাহ মনোনীত প্রার্থী মাওলানা হারুনুর রশীদ (মোটরসাইকেল) সদ্য বিএনপি থেকে বহিষ্কার হওয়া ওহিদুজ্জামান ছুফি চৌধুরী (দোয়াত কলম) শাহ মুজিবুর রহমান জকন (নৌকা) আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোঃ নুরুল ইসলাম (কাপ পিরিছ)।
তাদের মধ্যে প্রতিদিন সুর উঠেছে প্রতীক ও প্রার্থীর নামে। দিনরাত প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন প্রার্থীরা।
নারী ভোটার অনিশ্চিতঃ বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র হামলা হওয়ার কারনে এবার স্থানীয় নির্বাচন হলেও ১০ শতাংশ নারী ভোটারদের উপস্তিতির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রার্থীদের কর্মীদের কাছ থেকে জানা যাচ্ছে, তারা নির্বাচনী প্রচারণা করার সময় মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে অনুপস্থিতির কথা শুনতে পারছেন। এমনকি মহিলারা সরাসরিই জানাচ্ছেন ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। তবুও ভয় ভীতি দূর করে ভোটকেন্দ্রে যাবার আহবান জানাচ্ছেন প্রার্থীর কর্মীরা।
পর্যবেক্ষনঃ বর্তমানে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে জানা গেল উপরোক্ত চারজন প্রার্থীই সমানে সমান লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছেন। এখন অপেক্ষা চুড়ান্ত রায় ১৮ মার্চের নির্বাচনী হিসাব নিকাশে।
আশংকাঃ কিছু প্রার্থী আশংকা প্রকাশ করছেন নির্বাচনী মাঠে টাকা ছড়াছড়ি হবে৷ এজন্য প্রশাসনের দৃষ্টি প্রার্থী সহ প্রার্থীর কর্মীদের উপর নজরদারির কথা বলেন।

