সোমবার, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৬

বিএনপি ছেড়ে অাওয়ামীলীগে যোগ দিলেন দিরাই উপজেলা চেয়ারম্যান

বিএনপি ছেড়ে অাওয়ামীলীগে যোগ দিলেন দিরাই উপজেলা চেয়ারম্যান

w1 দিরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান তালুকদার বিএনপি ছেড়ে অাওয়ামীলীগে যোগ দিয়েছেন । সোমবার স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য, আইন ও বিচার স্হায়ী কমিটির সভাপতি, বাবু শ্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এমপি দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলে তার হাতে ফুল দিয়ে তিনি অাওয়ামীলীগে যোগ দেন ।
বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাকে বিএনপির মনোনয়ন দেন বিএনপি নেতা নাছির উদ্দিন চৌধুরী । প্রার্থী হয়েই উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোন তিনি । দিরাই-শাল্লা অাসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির অাহব্বায়ক নাছির উদ্দিন চৌধুরীর এলাকার জনপ্রিয়তা ও বিএনপির সমর্থনে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর বিএনপির নেতাকর্মীদের থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলেন তিনি । উপজেলা বিএনপির অাহব্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব করা হয় তাকে, পরবর্তীতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র-সহ সভাপতি করা হলেও বিগত সরকারবিরোধী অান্দোলনে তাকে মাঠে খুজে পায়নি বিএনপির নেতাকর্মীরা ।
এদিকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানের দল পাল্টানোর ঘটনা গত কয়েকদিন ধরে দিরাইয়ে চলছে অালোচনা সমালোচনা ঝড়। অনেকের মতে উপজেলার ধলকতুম গ্রামের মুক্তার আলী হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে তিনি অাওয়ামীলীগে যোগ দিয়েছেন।

শীতে কাপছে ওরা


কারো পৌষ মাস কারো সর্বনাশ। কথাটার পরিপূর্ণ অর্থ বোঝায় যায় শীত আসলে। শীত আসবে এ কথা চিন্তা করেই আমরা শীতকে ঘায়েল করার জন্য গরম কাপড় কিনে আলমারি ভর্তি করে ফেলি। বাক্স থেকে বের করি দামি দামি বিদেশি সব কম্বল। গায়ে দেওয়া লেপটাকে মেরামত করে মোটা থেকে আরো মোটা করে তুলি শীতে একটু আরাম পাওয়ার আসায়, একটু উষ্ণ থাকার আশার। উন্নত সব মার্কেটে ঘুরেফিরে গরম কাপড় কিনতে বের হই। হাতে মোজা, পায়ে মোজা, মাথায় টুপি তা-ও কেমন যেন শীত মানায় না। তবু ঠাণ্ডা লাগে। অন্যদিকে আরেক দল মানুষ কেমন আছে, কেমন কাটছে তাদের শীত—একবারও কি ভাবি তাদের কথা? এটা সত্য, অনেকেরই একটি বারের জন্যও মনের ভেতর আসে না তাদের জন্য ভাবনা। সহানুভূতি জাগে না হৃদয়ের কোমল মন্দিরে। আমরা বড় স্বার্থপর হয়ে পড়েছি। আমাদের অর্থসম্পদের পরিমাণ যতটা না বাড়ে, তার থেকে শতগুণ বেশি হারে বাড়ে আমার মনের ভেতরের কৃপণতা। অর্থসম্পদ সামর্থ্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মনটা সংকুচিত হতে থাকে। আমরা হয়ে পড়ি আত্মকেন্দ্রিক। বারবার খুঁজে ফিরি সমমানের লোকদের। টার্গেট নিই আরও বেশি উন্নত উচ্চমানের লোকজনদের সঙ্গে ওঠাবসার। চারতলায় উঠতে কম করে আটটা সিঁড়ির ধাপ অতিক্রম করতে হয়। আমরা ভুলে যাই, চার তলায় উঠতে এ আটটি ধাপের কোনোটিই কম গুরুত্বপূর্র্ণ নয়। কিন্তু খুব কম মানুষেরই এমন অভ্যাস আছে যে, একটা ধাপ অতিক্রম করে পেছনে ফিরে দেখেন। বেশির ভাগই একটা অতিক্রম করতে না করতেই ওপরে ধাপের দিকে তাকিয়ে থাকে। মনের ভেতর উঁচুতে ওঠার লোভনীয় নেশা চরম থেকে চরমে উন্নীত হয়। এটাই যেন স্বাভাবিক। অনেকে দামি গাড়িতে করে রোজ রাতে ফুটপাতের গলি দিয়ে পার্টি হাউস থেকে আনন্দ-ফুর্তি করতে করতে বাড়ি ফেরে। কিন্তু ভুলেও চেয়ে দেখে না, ফুটপাতের পাশ দিয়ে খোলা আসমানের নিচে শুয়ে থাকা সর্বস্বান্ত মানুষগুলোকে। যাদের শরীরে কাপড়ের অপ্রতুলতা, নোংরা জায়গা, খোলা আকাশ, গোল হয়ে শীতের কষ্টে জর্জরিত মানুষগুলোর দিকে ভুলেও তাকায় না অনেকে। দেখতে দেখতে এটা যেন কেমন একটা স্বাভাবিক বিষয় হয়ে গেছে। আমরা ভাবি, ওরা এমন করেই তো এত দিন থাকছে, এখনো আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এটা নিয়ে ভাবার আবার কী হলো। এভাবেই ফুটপাত, বাসস্টপ, রেলস্টেশন, সদরঘাট, হাসপাতালের সামনে এখানে-ওখানে-সেখানে কত না মানুষ শীতের সঙ্গে যুদ্ধে দিনের পর দিন পরাজিত হয়ে আসছে। যাদের জয়-পরাজয় নিয়ে কখনো কোনো মিছিল-মিটিং-সমাবেশ হয় না। যাদের বাঁচা-মরার খবর বাসি-পচা ময়লা-আবর্জনা আর পচা কলার খোসার সঙ্গে মিশে যায়। আর এদিকে কত মানুষ বিএমডব্লিউ গাড়িতে চড়ে, এসি রুমে ঘুমায় ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতে করতে ঘুমায়। আসুন আমরা সবাই মনটাকে একটু নরম করে আর্তমানবতার সেবার নিজেকে নিয়োজিত করি। নিজের ভেতর লুকিয়ে থাকা মানবতাকে বাইরে বের করে আনি। যে মুখগুলো না হাসতে হাসতে হাসির কথা ভুলেই গেছে। যাদের মুখ নীরবে কাঁদে হাসি হারানোর বেদনায়, সেই মুখগুলোতে হাসি ফোটাই। আপনার পড়ে থাকা একটা শীতের কাপড় কিন্তু একটা মানুষের শীতকালটাকেই আরামের করে দিতে পারবে।

প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচন কাল


সাধারণ ভোটারের অংশগ্রহণ নেই। তবু টাকা ওড়ার খবর উড়ছে। জেলা পরিষদ নির্বাচনে যাঁরা ভোট দেবেন, তাঁরা স্থানীয় সরকারের কোনো না কোনো স্তরের জনপ্রতিনিধি। টাকা লেনদেনের স্পর্শকাতর এই অভিযোগ তাঁদেরই বিরুদ্ধে। আবার যাঁরা অভিযোগ তুলেছেন বা টাকা ওড়াচ্ছেন, তাঁরাও জেলা পরিষদের নতুন জনপ্রতিনিধি হবেন। কাল বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচন। চেয়ারম্যান পদে দলের সমর্থন পেতে ৬১ জেলায় ৭০১ জন আওয়ামী লীগ নেতা আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ২২ জেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থীর বাইরে আর কোনো প্রার্থী নেই। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাঁদের চেয়ারম্যান হওয়াটা নিশ্চিত। ওই সব জেলায় এখন সদস্য প্রার্থীদের অনেকেই টাকা ছড়াচ্ছেন। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৬১ জেলার মধ্যে অন্তত ৩০ জেলায় আওয়ামী লীগের নেতারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। এমন প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় অর্ধশত। ওই সব জেলায় মূলত টাকা ছড়ানো ও উপহার দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ-সমর্থিত একাধিক প্রার্থী থাকা এলাকায় বিরোধী দল বিএনপি, জাতীয় পার্টি বা অন্য দলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কদর বেশ বেড়েছে। কারণ, তাঁরাও এই নির্বাচনে ভোটার। এই ভোটারদের কাছে টানতে টাকা, উপহার, প্রলোভন, অনুরোধ ও ভয় থেকে শুরু করে নানা রকম চেষ্টা চলছে এলাকাভেদে।

ফেসবুক বিষন্ন করে, সাবধান!


এক জরিপে দেখা গেছে ফেসবুক আমাদের অসুখী এবং মানুষের মধ্যে ‘ফেসবুক হিংসা’ বা বিশেষভাবে বিষন্নতা সৃষ্টি করে। জরিপে আরও দেখা গেছে যে, সব ব্যবহারকারী এক সপ্তাহের জন্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের সাইট থেকে দূরে থেকেছেন তারা জীবন নিয়ে বেশি সন্তুষ্ট, জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট। ১০৯৫ ব্যক্তিকে নিয়ে জরিপ চালায় ইউনিভার্সিটি অফ কোপেনহেগেন। এদের মধ্যে অর্ধেক ব্যক্তিকে বলা হয় ফেসবুক ব্যবহার চালিয়ে যেতে আর বাকি অর্ধেককে লগইন করতে মানা করা হয়। ফলাফলে দেখা গেছে যারা ফেসবুকে হিংসা এবং যোগাযোগের মাধ্যমে বন্ধুদের কার্যক্রমে ঈর্ষান্বিত হন তারা যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার থেকে বিরতি নিয়ে তাদের বিষন্নতা কমেছে এবং মদ্যপান থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করেছে। প্রতিবেদনের লেখক মর্টেন ট্রুমহল্ট বলেন, ‘প্রতিদিন ফেসবুকে লাখো ঘণ্টা ব্যয় হয়। অবশ্যই এর মাধ্যমে আমরা আগের চেয়ে একে অপরের সঙ্গে ভালো যুক্ত থাকি। কিন্তু এই সংযুক্ততা কী আমাদের জন্য ভালো কিছু করছে?’ তিনি আরও জানান, বর্তমান সময়ের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে উত্তরটা ‘না’। জরিপের জন্য যাদের নেয়া হয়েছিল তার মধ্যে ৮৬ শতাংশ ডেনমার্কের নারী এবং গড় বয়স ৩৪ বছর।

বছর শেষে নতুন মিউজিক ভিডিওতে তৌসিফ ও স্পর্শিয়া

">‘হারালো অজানায়’ গানের সংগীতশিল্পী মেহেদি, সুরকার অদিত এবং মডেল তৌসিফ ও স্পর্শিয়া ‘হারালো অজানায়’ গানের সংগীতশিল্পী মেহেদি, সুরকার অদিত এবং মডেল তৌসিফ ও স্পর্শিয়া বছরের শেষে নতুন একটি মিউজিক ভিডিওর মডেল হলেন স্পর্শিয়া ও তৌসিফ মাহবুব। ‘হারালো অজানায়’ শিরোনামের এই গানটির সংগীতশিল্পী নাহিদ মেহেদি। গানটি লিখেছেন সূচি এবং সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন অদিত। আর মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন তানিম রহমান। পরিচালক জানালেন, গানটির শুটিং হয়েছে সিলেটের বিভিন্ন লোকেশনে। গানটির মডেল অর্চিতা স্পর্শিয়া বলেন, ‘গান পছন্দ হওয়ার পর যখন ভিডিওর জন্য একটা দারুণ গল্প পাই তখন আরও ভালো লাগে। এ কারণেই করা হয়। আর বছরের শেষে এসে এই গানটির বেলাতেও এমনটাই ঘটেছে।’ গানটির শিল্পী নাহিদ মেহেদি জানান, বছরের শেষ দিনে ‘হারাল অজানায়’ গানের মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে।

এক হারেই শেষ দেখছেন না মাশরাফি


দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ। মাশরাফিরা জানতেন, চ্যালেঞ্জটা বেশ কঠিনই। আর এটি জয় করতে হলে শুরুটা ভালো হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ড মিশনের শুরুটা যে মোটেও ভালো হলো না! বেশ বড় হারই সঙ্গী সফরের প্রথম ম্যাচে। তবে ৭৭ রানের এই হারের পরপরই যে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে, সেটি মনে করেন না অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ঘুরে দাঁড়িয়ে এখনো সাফল্য পাওয়ার আশাটা তাঁর আছেই। নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনটা যেকোনো দলের জন্যই অনেক কঠিন। এই কন্ডিশনে লড়াই করতে হয় প্রায় সব দলকেই। বাংলাদেশের জন্য ব্যাপারটা যেন একটু বেশিই কঠিন। কোচ হাথুরুসিংহে ম্যাচের আগের দিন বলেছিলেন, মানসিকভাবে এগিয়ে থাকার জন্য শুরুটা ভালো হওয়া খুব জরুরি। প্রথম ম্যাচটা তাই ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সরাসরি সেভাবে কিছু বলেননি। তবে বোঝাই গেছে, জয় দিয়েই অভিযান শুরু করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেটি আর হলো কোথায়! বোলাররা আশা অনুযায়ী বোলিং করতে পারেননি। ফিল্ডিংয়েও চোখে পড়েছে ঢিলেঢালা ভাব। হতাশ করেছেন ব্যাটসম্যানরাও। সব মিলিয়ে নিউজিল্যান্ড সফরের শুরুটা বাংলাদেশের প্রত্যাশার ধারেকাছেও ছিল না। মাশরাফি মনে করেন, ‘যেকোনো সফরেই প্রথম ম্যাচটা কঠিন থাকে। অন্য একটা দেশে গিয়ে সেখানকার কন্ডিশন আর উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয় থাকে।’ তবে সফর এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলের উন্নতির আশা রাখছেন মাশরাফি, ‘প্রথম ম্যাচটা সব সময়ই কঠিন। তবে আমি মনে করি, এই সিরিজের আরও অনেক কিছুই বাকি আছে। এখনো আমাদের অনেক কিছুই করার আছে।’

ক্ষমতায় গেলে সংসদে সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা: এরশাদ


জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে সংখ্যালঘুদের জন্য সংসদে প্রতিনিধিত্ব, চাকরি ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কোটা প্রবর্তন করবেন। আজ সোমবার জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে বড়দিন উপলক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠান এরশাদ এসব কথা বলেন।">প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এরশাদ বলেন, ‘আমি ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য সংসদে প্রতিনিধিত্ব, চাকরি ও উচ্চশিক্ষার সুযোগের জন্য কোটা প্রবর্তন করতে চাই।’ খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা পাশে থাকলে জাতীয় পার্টি আবার ক্ষমতায় যেতে পারবে। ক্ষমতায় গেলে সংখ্যালঘুসহ সবার জানমালের নিরাপত্তা দিতে পারব।’ ক্ষমতায় গেলে খ্রিষ্টানদের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট করার কথাও বলেন এরশাদ। এরশাদ বলেন, তাঁর সময়ে কোনো সম্প্রদায়কে তিনি ছোট করে দেখেননি। তিনি কারও প্রতি বৈষম্য করেননি। তিনি আরও​ বলেন, ‘আমি এখন দেখছি, সংখ্যালঘুরা নানামুখী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। পাদরিদের হত্যা করা হচ্ছে। নিরীহ খ্রিষ্টান নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে।’ অনুষ্ঠানে জাপার কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের, দলের মহাসচিব এ বি এম রুহল আমিন হাওলাদার, দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সুনীল শুভ রায়, খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের নেতা ডেভিড গোমেজ, পিয়ুস গোমেজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Live Cricket