সোমবার, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৬

প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচন কাল


সাধারণ ভোটারের অংশগ্রহণ নেই। তবু টাকা ওড়ার খবর উড়ছে। জেলা পরিষদ নির্বাচনে যাঁরা ভোট দেবেন, তাঁরা স্থানীয় সরকারের কোনো না কোনো স্তরের জনপ্রতিনিধি। টাকা লেনদেনের স্পর্শকাতর এই অভিযোগ তাঁদেরই বিরুদ্ধে। আবার যাঁরা অভিযোগ তুলেছেন বা টাকা ওড়াচ্ছেন, তাঁরাও জেলা পরিষদের নতুন জনপ্রতিনিধি হবেন। কাল বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচন। চেয়ারম্যান পদে দলের সমর্থন পেতে ৬১ জেলায় ৭০১ জন আওয়ামী লীগ নেতা আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ২২ জেলায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থীর বাইরে আর কোনো প্রার্থী নেই। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাঁদের চেয়ারম্যান হওয়াটা নিশ্চিত। ওই সব জেলায় এখন সদস্য প্রার্থীদের অনেকেই টাকা ছড়াচ্ছেন। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৬১ জেলার মধ্যে অন্তত ৩০ জেলায় আওয়ামী লীগের নেতারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। এমন প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় অর্ধশত। ওই সব জেলায় মূলত টাকা ছড়ানো ও উপহার দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ-সমর্থিত একাধিক প্রার্থী থাকা এলাকায় বিরোধী দল বিএনপি, জাতীয় পার্টি বা অন্য দলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কদর বেশ বেড়েছে। কারণ, তাঁরাও এই নির্বাচনে ভোটার। এই ভোটারদের কাছে টানতে টাকা, উপহার, প্রলোভন, অনুরোধ ও ভয় থেকে শুরু করে নানা রকম চেষ্টা চলছে এলাকাভেদে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Live Cricket